পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি যোজনা

২০২৬ সালের নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নতুন যোজনা

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি যোজনা

২০২৬ সালের নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নতুন যোজনা

Uncategorized

অন্নপূর্ণা ভান্ডার ফর্ম নিয়ে আর দুশ্চিন্তা নয়! বাড়ি বাড়ি যাবে সরকারি দল। কি কি ডকুমেন্টের প্রয়োজন জেনে নিন।

আপনাদের সকলকে এই ওয়েবসাইটটিতে থেকে স্বাগত জানাই ।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষনা করেছিলেন যে ১লা জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের যে বরাদ্দ টাকা সেটা পশ্চিমবঙ্গে স্থায়ী বসবাসকারী মা বোনেদের একাউন্টে দেয়া হবে ।কিন্তু তিনি এখন জানিয়েছেন যে ১লা জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ চালু হবে এবং ৯০ দিন পর্যন্ত এই ফর্ম ফিলাপ চলবে। তিনি বলেছিলেন যারা লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা পাচ্ছিলেন তারা ডাইরেক্ট ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। কিন্তু দেখা গিয়েছে এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের তালিকা এমন অনেক মানুষ আছেন যারা লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের যোগ্য নয় যেমন অনেক পুরুষ এই প্রকল্পে যোগ আছে এবং অনেক মহিলা যারা মৃত তারা ওই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে এবং অভারতীয় মানুষও এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে। যাতে তারা এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা না পায় সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, সবাইকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপের জন্য বলেছেন ।বারো পাতার একটি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম বার করেছেন যেই ফর্মে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে যে সমস্ত মা-বোনেরা সুবিধা পাবে তাদের সমস্ত নথিপত্র বা ডকুমেন্টস এবং তার বাড়ির সমস্ত ডকুমেন্টস নেয়া হচ্ছে। এবং ভালোভাবে সেই সমস্ত ডকুমেন্টস যাচাই করে নেয়া হচ্ছে যাতে সঠিক মানুষ এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পায়। মুখ্যমন্ত্রীর চান যোগ্য প্রাপক এই প্রকল্পের সুবিধা পায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন সরকারি প্রতিনিধিরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপে আপনাদের সহযোগিতা করবে এবং তাড়াহুড়ো কোন দরকার নেই এই প্রকল্প ৯০ দিন ধরে চলবে আপনারা সরকারি প্রতিনিধিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ভালোভাবে ফর্মটি ফিলাপ করে জমা করবেন প্রত্যেক যোগ্য প্রাপক অবশ্যই এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের এই বারো পাতার ফর্ম নিয়ে চারিদিকে গুজব শোনা যাচ্ছে ।তাই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্টভাবে সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে বলেছেন যে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই সরকারি অধিকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম ফিলাপ করতে আপনাদের সহযোগিতা করবেন এবং এই ফর্ম ফিলাপের জন্য কোন তাড়াহুড়ো নেই সরকারি তরফ থেকে ৯০ দিন সময় দেয়া হয়েছে এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য তাই সরকারি প্রতিনিধিদের সাহায্য নিয়ে আপনারা এই ফর্মটি ভালোভাবে ফিলাপ করতে পারবেন। তাই কোন রকম গুজবে আপনারা কান দেবেন না।

অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র বা ডকুমেন্ট গুলি হল:

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র ডকুমেন্টসগুলি নিচে আলোচনা করা হলো এই সমস্ত ডকুমেন্টসগুলি কেবলমাত্র আবেদনকারী নয় আবেদনকারী পরিবারের সকলেরই প্রয়োজন

১. আধার কার্ড:

আবেদনকারীর পরিচয়ের প্রথম এবং প্রধান হলো এই আধার কার্ড যা একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র যা ছাড়া অন্য যে কোন প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করা সম্ভব না।

২. ভোটার কার্ড:

আবেদনকারী যে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা তার প্রমাণ হলো এই ভোটার কার্ড যা একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র।

৩. ব্যাংক একাউন্ট:

আবেদনকারীর অবশ্যই একটি নিজস্ব ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে যাতে ওই অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের তিন হাজার টাকা প্রতি মাসে আসতে পারে এবং ওই ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে আধার লিঙ্ক থাকতে হবে।

৪. পাসপোর্ট সাইজ ফটো :

আবেদনকারী নিজস্ব পাসপোর্ট সাইজ ফটো প্রয়োজন

৫. ইনকাম সার্টিফিকেট:

আবেদনকারীর পারিবারিক আয় অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হবে।

৬. বাসস্থান:

আবেদনকারীকে অবশ্যই এই অঞ্চলের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং মহিলা হতে হবে।

৭. রেশন কার্ড:

অনুমান করা হচ্ছে যে হয়তো রেশন কার্ডের প্রয়োজন হতে পারে।

২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী মহিলা বাসিন্দা প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প থেকে পাবে।

৮. ফোন নাম্বার :

অবশ্যই সেই ফোন নাম্বারটি দেবেন। যার সাথে আপনার আধার নাম্বার লিঙ্ক করা আছে এবং ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ আছে যাতে আপনি ফোনে কোন মেসেজ কিংবা নোটিফিকেশান এলে তৎক্ষণাৎ আপনি দেখতে পান এবং আপনার ব্যাংকে টাকা ঢুকেছে কিনা প্রতি মাসে সেই মেসেজটি আপনি দেখতে পান কোন কোন নথিপত্র জেরক্স এর প্রয়োজন হতে পারে।

অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের জন্য কোন কোন নথিপত্র বা ডকুমেন্টস প্রয়োজন হতে পারে:

১. আধার কার্ড।

২. ভোটার কার্ড।

৩. ব্যাংক একাউন্টের প্রথম পাতার জেরক্স।

৪. রেশন কার্ড।

৫. আবেদনকারীর মাসিক বা বাৎসরিক আয়ের প্রমাণপত্র।( যদি লাগে)।

আবেদন পদ্ধতি:

আপনারা এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম অনলাইন কিংবা অফলাইন শেখানো পদ্ধতিতে ফিলাপ করতে পারেন তাই অনলাইন এবং অফলাইন উভয় পদ্ধতিতে ফর্ম ফিলাপ কিভাবে করবেন নিচে বলা হলো।

এছাড়াও আপনারা যদি কোন কারণবশত বা শারীরিকভাবে অসুস্থতার কারণে অনলাইন বা অফলাইন কোন পদ্ধতিতে ফর্ম ফিলাপ করতে যেতে না পারেন তাহলে সরকারি প্রতিনিধিরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপের সাহায্য করবে এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর এই অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের বারো পাতার ফর্ম দেখে দুশ্চিন্তার করার কোনো কারণ নেই ।কারণ সরকারি প্রতিনিধিরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে আপনাদেরকে এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপের সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন তাই গুজবে কান দেবেন না এমনটা বলছেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

১.অনলাইন আবেদন পদ্ধতি:

প্রথমে আপনি এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পটির ফর্ম ফিলাপ করার জন্য যে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প এর তরফ থেকে সরকারি পোর্টাল দেয়া হয়েছে সেই পোর্টালে যান এবং পোর্টালে গিয়ে আপনার ফোন নাম্বার দিয়ে সেটি রেজিস্ট্রেশন করুন তারপর ফর্মটি ফিলাপ করুন এবং যে সমস্ত নথিপত্র বা ডকুমেন্ট আপলোডের কথা বলা হয়েছে সেই সমস্ত ডকুমেন্টগুলো আপলোড করুন এই সমস্ত কিছু হয়ে গেলে তারপর আপনি সাবমিট করুন তাহলেই আপনার অনলাইন আবেদন পদ্ধতি সম্পূর্ণ হবে।

২.অফলাইন আবেদন পদ্ধতি:

আপনি অনলাইনের মাধ্যমে না করেও অফলাইনের মাধ্যমে এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পটি ফর্ম ফিলাপ করতে পারেন যার জন্য আপনাকে যে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বসে বা পৌরসভা অফিস বা ব্লক অফিস থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্মটি সংগ্রহ করতে হবে।তারপর আপনি ফার্মটি ফিলাপ করুন এবং ওই ফর্ম এর জন্য যে সমস্ত নথিপত্রের জেরক্স প্রয়োজন বলা হয়েছে সেই সমস্ত জেরক্স গুলো অবশ্যই ফর্ম এর সাথে জমা করুন তাহলেই আপনার এই অফলাইন আবেদন পদ্ধতিটি সম্পন্ন হইবে।

সরকারি তরফ থেকে অনলাইন এবং অফলাইন সরকারি পোর্টাল বা ফর ম চালু করা হয়ে গেছে তা।আবেদন পদ্ধতি শুরু হয়ে গেছে তাই আপনারা অনলাইন বা অফলাইন যে কোন জায়গায় আপনাদের এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করতে পারেন।

যারা শারীরিকভাবে অসুস্থ কিংবা কোন কারনে যেতে পারছেন না তাদের জন্য সরকারি প্রতিনিধিরা বাড়ি বাড়ি এসেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করতে সাহায্য করবেন তাই দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই সকল যোগ্য প্রাপক অবশ্যই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফরম ফিলাপ কি শুরু হয়ে গেছে?

হ্যাঁ। ১লা জুন থেকেই এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়ায় শুরু হয়ে গেছে। তাই এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য আপনি আবেদন করতে পারেন।

অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের ফরম ফিলাপের জন্য কি সরকারি প্রতিনিধিরা বাড়ি বাড়ি এসে সহযোগিতা করবেন?

হ্যাঁ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপের জন্য সরকারি প্রতিনিধিরা বাড়ি বাড়ি এসে সহযোগিতা করবেন।

অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পে কত টাকা আর্থিক সহায়তা করা হবে?

এই অন্নপূর্ণা বান্দার প্রকল্পের প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প আবেদনের বয়স সীমা কত?

২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা মহিলা এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প যে সমস্ত মহিলা বা মহিলার পরিবার আয়কর দেন তারা কি এই সুবিধা পাবেন?

না ।তারা অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

শেষ কথা:

এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে যেকোনো প্রকার তথ্য জানার জন্য এবং কিভাবে আপনি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদন করবেন। কারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবে কারা পাবে না যারা ইনকাম ট্যাক্স দেয় তারা কি অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবে। বা কোন কোন মহিলা প্রকল্পের সুবিধা পাবে না। কত টাকা আর্থিক সহায়তা করা হবে প্রকল্পের মাধ্যমে ।কত বছর বয়সে মহিলারা এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প সম্পর্কে যেকোনো ধরনের তথ্য জানার জন্য এবং নতুন নতুন আপডেট পাবার জন্য এই ওয়েবসাইটটিতে নজর রাখতে ভুলবেন না এছাড়াও আপনারা এই ওয়েবসাইটটিতে বিজেপি সরকারের যে কোন প্রকার ভাতা সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে পারবেন।

ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *