অন্নপূর্ণা ভান্ডার DBT লিংক ২০২৬: কিভাবে আবেদন করবেন জেনে নিন
আপনাদের সকলকে স্বাগত জানাই ওয়েবসাইট দিতে । মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন যে একলা জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা প্রদান করা হবে ।এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে শুরু হয়েছে সারা দেশ জুড়ে এক আলোড়ন ।সমস্ত জায়গাতেই এখন একটি কথা অন্নপূর্ণা ভান্ডার এবং এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে কিভাবে DBT লিংক করব সেই সম্বন্ধে আলোচনা ।আজ আপনাদেরকে এই সম্বন্ধে সমস্ত প্রকার তথ্য জানাবো কিভাবে আপনার DBT লিংক করবেন এবং DBT লিংক করার জন্য কি কি ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন কোথায় করবেন সমস্ত তথ্য নিচে আলোচনা করা হলো।

কিভাবে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের ডিবিটির লিংক করবেন জেনে নিন
অফলাইন আবেদন পদ্ধতি
আপনার যে ব্যাংকে একাউন্টে আছে সরাসরি সেই ব্যাংকের শাখায় যান ব্যাংকের অধিকারীদের কাছে “আধার ব্যাংক লিঙ্ক” বা NPCI ম্যান্ডেট ফর্ম যান। ফার্মটি ভালোভাবে ফিলাপ করুন ফরমটি ফিলাপ করা হয়ে গেলে ফর্ম টির সাথে আপনার আধার কার্ড এবং ব্যাংক একাউন্টে জেরক্স জমা করুন এবং ব্যাংক অধিকারীদের কে বলুন যাতে আপনার DBT টা সক্ষম করে দেয়। এই ভাবেই ব্যাংকে গিয়ে আপনি আপনার DBT লিংক টা করাতে পারেন।
অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন
আপনি যদি বড় কোন ব্যাংকের গ্রাহক হন তাহলে তাদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ অথবা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট লগইন করুন সেখানে মাই প্রোফাইল বা সার্ভিস সেকশনে গিয়ে আধার লিঙ্কিং বা DBT স্ট্যাটাস অপশনটি বেছে নিন এবং আপনার আধার নম্বর আপডেট করুন। তাহলেই DBT লিংক করা সম্পন্ন হবে এবং আপনি অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে তিন হাজার টাকা কোথায় পাবেন:
যে সমস্ত মহিলারা আগে থেকে লক্ষী ভান্ডারে সুবিধা পাচ্ছিলেন সেই সমস্ত মহিলারা কেবলমাত্র DBT লিংকের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে সুবিধা পাবেন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
তাই আপনারা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব DBT লিংক টা চেক করুন এবং DBT লিংক করা না থাকলে DBT লিংক করুন তার ফলে আপনারা এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
কারা পাবেন অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের এই সুবিধা:
এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে সারা দেশজুড়ে এক আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছে মুসলিম মা-বোনেদের মনে প্রশ্ন তারা কি পাবে এই প্রকল্পের সুবিধা ।বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে শুধু হিন্দু না মুসলিম ধর্মের মা বোনেরাই নয় অন্য যেকোনো ধর্মের যোগ্য মা বোনেরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন অবশ্যই তারা যদি পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে থাকে তবেই । তানাহলে এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত তারা হবে না ।
অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র বা ডকুমেন্ট:
এটি একটি সামাজিক প্রকল্প। অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পে যে নথিপত্রের প্রয়োজন হবে সেই সমস্ত নথিপত্র বা ডকুমেন্ট এর কথা নিচে আলোচনা করা হলো।
১. আধার কার্ড:
আবেদনকারীর পরিচয়ের প্রথম এবং প্রধান হলো এই আধার কার্ড যা একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র যা ছাড়া অন্য যে কোন প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করা সম্ভব না।
২. ভোটার কার্ড:
আবেদনকারী যে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা তার প্রমাণ হলো এই ভোটার কার্ড যা একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র।
৩. ব্যাংক একাউন্ট:
আবেদনকারীর অবশ্যই একটি নিজস্ব ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে যাতে ওই অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের তিন হাজার টাকা প্রতি মাসে আসতে পারে এবং ওই ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে আধার লিঙ্ক থাকতে হবে।
৪. পাসপোর্ট সাইজ ফটো :
আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজ ফটোর প্রয়োজন
৫. ইনকাম সার্টিফিকেট:
আবেদনকারীর পারিবারিক আয় অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হবে।
৬. বাসস্থান:
আবেদনকারীকে অবশ্যই এই অঞ্চলের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং মহিলা হতে হবে।
৭. রেশন কার্ড:
অনুমান করা হচ্ছে যে হয়তো রেশন কার্ডের প্রয়োজন হতে পারে।
২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী মহিলা বাসিন্দা প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প থেকে পাবে।
৮. জাতিগত শংসাপত্র:
লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পে যেরকম তফসিলি জাতি বা উপজাতির মা-বোনেরা একটা অতিরিক্ত সুবিধা পেতেন মানে টাকার পরিমান কিছুটা বেশি পেতেন ঠিক তেমনি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পেও কি ওই তফসিলি জাতি বা উপজাতির মা-বোনেরা বেশি টাকা পাবেন নাকি একই টাকা পাবেন তারা কি কোন সুবিধা পাবেন সেই সম্পর্কে বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ঘোষণা করা হয়নি। যদি ঘোষণা করা হয় যে তারা একটা অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন তাহলে জাতিগত শংসাপত্র এর প্রয়োজন হবে ।
৯. ফোন নাম্বার :
অবশ্যই সেই ফোন নাম্বারটি দেবেন। যার সাথে আপনার আধার নাম্বার লিঙ্ক করা আছে এবং ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ আছে যাতে আপনি ফোনে কোন মেসেজ কিংবা নোটিফিকেশান এলে তৎক্ষণাৎ আপনি দেখতে পান এবং আপনার ব্যাংকে টাকা ঢুকেছে কিনা প্রতি মাসে সেই মেসেজটি আপনি দেখতে পান কোন কোন নথিপত্র জেরক্স এর প্রয়োজন হতে পারে।
কোন কোন নথিপত্রের জেরক্স প্রয়োজন হতে পারে:
১. আধার কার্ড।
২. ভোটার কার্ড।
৩. আবেদনকারীর ব্যাংক একাউন্টের প্রথম পাতা জেরক্স।
৪. রেশন কার্ড।
৫. আবেদনকারীর মাসিক বা বাৎসরিক আয়ের প্রমাণপত্র।( যদি লাগে)।
আবেদন পদ্ধতি:
আপনি এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পটি অনলাইন বা অফলাইন দুটি ভাবেই আবেদন করতে পারেন তাই এই দুটি ভাবে আবেদন করার পদ্ধতি নীচে বর্ণনা করা হলো।
১. অনলাইন আবেদন পদ্ধতি:
প্রথমে আপনি এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পটির ফর্ম ফিলাপ করার জন্য যে যে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প এর তরফ থেকে সরকারি পোর্টাল দেয়া হয়েছে সেই পোর্টালে যান এবং পোর্টালে গিয়ে আপনার ফোন নাম্বার দিয়ে সেটি রেজিস্ট্রেশন করুন তারপর ফর্মটি ফিলাপ করুন এবং যে সমস্ত নথিপত্র বা ডকুমেন্ট আপলোডের কথা বলা হয়েছে সেই সমস্ত ডকুমেন্টগুলো আপলোড করুন এই সমস্ত কিছু হয়ে গেলে তারপর আপনি সাবমিট করুন তাহলেই আপনার অনলাইন আবেদন পদ্ধতি সম্পূর্ণ হবে।
২. অফলাইন আবেদন পদ্ধতি:
আপনি অনলাইনের মাধ্যমে না করেও অফলাইনের মাধ্যমে এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পটি ফর্ম ফিলাপ করতে পারেন যার জন্য আপনাকে যে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বসে বা পৌরসভা অফিস বা ব্লক অফিস থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্মটি সংগ্রহ করতে হবে।তারপর আপনি ফার্মটি ফিলাপ করুন এবং ওই ফর্ম এর জন্য যে সমস্ত নথিপত্রের জেরক্স প্রয়োজন বলা হয়েছে সেই সমস্ত জেরক্স গুলো অবশ্যই ফর্ম এর সাথে জমা করুন তাহলেই আপনার এই অফলাইন আবেদন পদ্ধতিটি সম্পন্ন হইবে।
বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে এই অন্নপূর্ণার ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে এক আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছে দেখা গিয়েছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে ফর্ম । যদিও সরকারি তরফ থেকে এখনো পর্যন্ত কোন ফর্ম বা অনলাইন পোর্টাল চালু করা হয়নি। যার দ্বারা আপনারা এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্মটি ফিলাপ করতে পারেন তাই অন্নপূর্ণা ভান্ডারের কোন ফর্ম ফিলাপ করার আগে এবং কোন নথিপত্র আপলোড করার আগে আপনারা অবশ্যই জেনে নেবেন যে বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্ম ফিলাপ চালু হয়েছে কিনা । কারণ এখনো পর্যন্ত সরকারি তরফ থেকে কোন সরকারি পোর্টাল বা কোন ফর্ম বিলি করা হয়নি। অনলাইনে আপনার নথি আপলোড করার ফলে আপনি যে কোন প্রকার সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন । জানানো হয়েছে একলা জুন থেকে এই প্রকল্প চালু হয়ে যাবে এবং সরকারি তরফ থেকে সমস্ত ফরম ফিলাপ এবং সরকারি পোর্টাল চালু করা হবে।
হ্যাঁ অবশ্যই লিংক করা প্রয়োজন তবেই আপনারা অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
একলা জুন থেকেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তবে তার জন্য অবশ্যই DBT লিংক করা প্রয়োজন।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে দেয়া হবে
২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারা এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে জানানো হয়েছে সরকারি তরফ থেকে
হ্যাঁ, অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা যেকোনো ধর্মের মহিলারা পাবেন অবশ্যই যদি তারা পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হন তবে
শেষ কথা
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প সম্পর্কে আরোও তথ্য জানার জন্য এবং কিভাবে আপনারা DBT লিংকটা করবেন কোথায় ডিভিডি লিংক করবেন এবং DBT লিংক করার জন্য কি কি প্রয়োজন সেই সমস্ত তথ্য জানার জন্য এবং কবে থেকে আপনারা অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন কারা পাবেন কত বছর বয়সে মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন সেই সমস্ত তথ্য জানার জন্য এছাড়াও বিজেপি সরকারের যে কোন প্রকার ভাতা প্রকল্প সম্পর্কে জানতে এই ওয়েবসাইটটিতে নজর রাখুন।
ধন্যবাদ