স্বামী সরকারি কর্মচারী ?স্ত্রী কি অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন ,জেনে নিন।
আপনাদের সকলকে এই ওয়েবসাইটটিতে স্বাগত জানাই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, তার ঘোষণায় বলেননি যে স্বামী সরকারি চাকরি পেলে বা সরকারি চাকরি করলে তার স্ত্রী অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না ।তিনি জানিয়েছিলেন যে আবেদনকারী মহিলা যদি সরকারি কর্মচারী হন বা তিনি যদি পেনশন পান তাহলে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে না। বা আবেদনকারী যদি আয়কর প্রদান করেন বা তার পরিবার যদি আয়কর প্রদান করে থাকে তাহলে সেই মহিলা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তার ঘোষণায় জানিয়েছেন যে একলা জুন থেকে ৯০ দিন পর্যন্ত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ চলবে। আজ বুধবার এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা কিছু মহিলার ব্যাংক একাউন্টে দেয়া হয়েছে এবং তিনি জানাচ্ছেন যে ৯০ দিনের আগে এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সকল ফর্ম ফিলাপ হয়তো শেষ হয়ে যাবে ।এই ফর্ম ফিলাপ চলবে এবং একই সাথে ধাপে ধাপে টাকা দেওয়া ও চলবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ।মুখ্যমন্ত্রীর বড় ঘোষণা যে কোন গুজবে কান দেয়ার দরকার নেই সমস্ত যোগ্য প্রাপক অবশ্যই এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা পাবেন।
তিনি শুধু এটাই বলেনি তিনি আরো বলেছেন যে যতদিন না পর্যন্ত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা দেয়া হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত আগে যেইভাবে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা পাচ্ছিলেন সেই অনুযায়ী টাকা পাবেন ।যে সমস্ত মা-বোনেরা লক্ষী ভান্ডারে ১৫০০টাকা পেয়েছিলেন তারা ১৫০০ টাকা পাবেন এবং যে সমস্ত মা-বোনেরা ১৭০০ টাকা করে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা পেয়েছিলেন সেই সমস্ত মা-বোনেরা ১৭০০ টাকা করে পাবেন যতদিন না পর্যন্ত অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা প্রদান করা হচ্ছে। ততদিন পর্যন্ত তারা লক্ষ্মী ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তার এই নতুন ঘোষণায়।
কারা পাবেন না অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প জেনে নিন:
১.SIR এ বাদ পরা :
যে সমস্ত মহিলাদের নাম SIR এর সময় ভোটের তালিকা থেকে বাদ গেছে সেই সমস্ত মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না বলে জানানো হয়েছে।
২.বিদেশি নাগরিক:
যে সমস্ত মহিলারা ভারতীয় নাগরিক না সেই সমস্ত মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না বলে স্পষ্ট ভাবে জানানো হয়েছে।
এই অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী স্থায়ী মহিলাদের দেয়া হচ্ছে।
৩.ভুয়ো সুবিধাভোগী:
যে সমস্ত মৃত মহিলা বা যাদের ভোটের তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার পরে ভুলবশত লক্ষী ভান্ডারে প্রকল্পের টাকা পাচ্ছিলেন সেই সমস্ত মহিলারা এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা পাবেন না বলে সুস্পষ্ট ভাবে জানানো হয়েছে।
কারণ সরকার চান যোগ্য প্রাপক এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা পাক। কোন ভুয়ো সুবিধাভোগী মানুষ না পায়।
৪.সরকারি চাকুরীজীবী :
কোন সরকারি চাকরিজীবী বা সরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী তারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না বলে জানানো হয়েছে ।
আবেদনকারী যদি নিজে সরকারি চাকরি করে তাহলে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না কিন্তু যদি তার স্বামী কোন সরকারি চাকরি করেন সে ক্ষেত্রে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা তারা পাবেন।
৫. পুরুষ:
লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের ক্ষেত্রে দেখা গেছে বহু পুরুষ লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছে। যাতে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে কোন পুরুষ সুবিধার না পায় সেই কারণে সমস্ত মহিলাদের পুনরায় নতুন করে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করতে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন কারণ মুখ্যমন্ত্রীর চান যোগ্য প্রাপক অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাক ।কোনো পুরুষ বা অভারতীয় মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা যাতে না পায়। সেই কারণেই অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পে আবেদনকারীর এবং আবেদনকারীর পরিবারের সমস্ত তথ্য নেওয়া হচ্ছে যাতে এই টাকা কোন সুবিধাভোগী মানুষের হাতে না যায়, যোগ্য মানুষ এই টাকা পায় সেই কারণে সরকার সমস্ত তথ্য যাচাই করে নিচ্ছে।
৬. আয়কর প্রদান:
পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী যে সমস্ত মহিলা বা তার পরিবার আয়কর প্রদান করেন সেই সমস্ত মহিলাদেরকে এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা প্রদান করা হবে না কারণ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করা হয়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মা-বোনেদের জন্য। তাই আয়কর প্রদানকারী মহিলাদেরকে এই অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা প্রদান করা হবে না কারণ তারা নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের আওতায় পড়ে না তারা উচ্চবিত্ত পরিবারের আওতায় পড়ে।
কবে থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে:
মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন যে একলা জুন থেকেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে কিন্তু এখন তিনি জানাচ্ছেন যে একলা জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করা শুরু হবে এবং এই ফর্ম ফিলাপের ৯০ দিন ধরে চলবে।
আজ বুধবার এই অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের প্রথম যে কয়েকটি ফর্ম জমা করা হয়েছিল সেই ফর্মের আবেদনকারীদের অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের টাকা দেয়া হবে। তারপর ৯০ দিন ধরে এই প্রক্রিয়াটি চলবে ধাপে ধাপে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনকারী ফর্ম জমা নেওয়া হবে এবং তাদেরকে টাকা প্রদান করা হবে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের প্রতি মাসে যে তিন হাজার টাকা এবং এইভাবে ৯০ দিন ধরে আবেদনকারী ফর্ম জমা নেয়া এবং অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা প্রদান করা হতে থাকবে। এবং সরকার আশা করছেন যে ৯০ দিনের আগেই এই অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সমস্ত ফর্ম ফিলাপ শেষ হয়ে যাবে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা যতদিন না পাওয়া যাচ্ছে ততদিন কি লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে:
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর নতুন ঘোষণা জানিয়েছেন যে যতদিন না পর্যন্ত অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা তারা পাচ্ছে ততদিন পর্যন্ত লক্ষ্মী ভান্ডার প্রকল্প চালু থাকবে লক্ষ্মী ভান্ডার প্রকল্পে যেমন পশ্চিমবঙ্গের মা বোনেরা ১৫০০ টাকা এবং ১৭০০ টাকা করে পাচ্ছিলেন । ঠিক তেমন ১৫০০ এবং ১৭০০ টাকা করে পাবে যতদিন পর্যন্ত চালু হচ্ছে এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে তাদের আবেদন কার্যকর করা হলেই তারা লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের বদলে ডাইরেক্ট ব্যাঙ্কে ট্রান্সফারের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
এই অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের আবেদনকারীর পরিবারের সকল সদস্যের সমস্ত তথ্য যেমন জন্মতারিখ ,নাম ,লিঙ্গ, পরিবারের কতজন সদস্য আছে ,তাদের মধ্যে কতজন সদস্য শিক্ষিত ,কতজন সদস্য অশিক্ষিত ,পরিবারের সমস্ত ভোটার কার্ডের নাম্বার। পরিবারে রেশন কার্ড আছে কিনা যদি রেশন কার্ড থাকে তাহলে সেই সমস্ত রেশন কার্ডের কি ধরন এবং রেশন কার্ড থেকে মাসিক রেশন তোলা হচ্ছে কিনা সেই সমস্ত জানতে চাওয়া হয়েছে। পরিবারের পাকা বাড়ি থাকলে কটা পাকা বাড়ি আছে সেটাও জানতে চাওয়া হয়েছে। আবেদনকারীর নামে যদি জমি থাকে তাহলে সেই জমির দলিল যাওয়া হয়েছে এবং আবেদনকারীর বাড়িতে চার চাকা আছে কিনা সেই সমস্ত জানতে চাওয়া হয়েছে। যদি চার চাকা থাকে তাহলে চার চাকার ধরন জানতে চাওয়া হয়েছে। আবেদনকারীরা আয়কর প্রদান করেন নাকি জানতে চাওয়া হয়েছে ।পরিবারের সদস্যের প্যান কার্ড আছে কিনা জানতে চাওয়া হয়েছে। কর্মসংস্থান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে যে তারা সরকারি বা বেসরকারি কিংবা অন্য কোন ব্যবসায়ী মালিক বা কোন ধরনের কাজের সাথে যুক্ত কিংবা বেকার কিনা সেই সমস্ত তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে ।পরিবারে কতজন শিশু আছে তাদের টিকাকরণ হয়েছে কিনা ।পরিবারের বার্ষিক আয় কত ,পরিবারের কোনো সদস্য মন্ত্রী পদে বা বিধায়ক পদে বা সংবিধানে কোন পদে যুক্ত আছে কিনা বা পঞ্চায়েতে কোন পদে যুক্ত আছে কিনা জানতে চাওয়া হয়েছে বা পরিবারের কোনো সদস্য সরকারি পেনশন পাচ্ছি কিনা জানতে চাওয়া হয়েছে । SIR এ কেউ বাদ পড়েছে কিনা জানতে যাওয়া হয়েছে, ক্রেডিট কার্ড আছে কিনা জানতে চাওয়া হয়েছে থাকলে সেটা কোন ধরনের ক্রেডিট কার্ড এই সমস্ত তথ্য পরিবার এবং আবেদনকারীর জানতে চাওয়া হচ্ছে এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদন করার জন্য।
হ্যাঁ তারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
না ।যে সমস্ত মহিলা সরকারি চাকরি করেন তারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
না, তারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
না তারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না বলে সরকারি তরফ থেকে স্পষ্ট ভাবে জানানো হয়েছে।
অন্নপূর্ণা বারান্দায় প্রকল্পে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারা আবেদন করতে পারবেন।
শেষ কথা:
এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে কারা আবেদন করতে পারবেন কারা আবেদন করতে পারবেন না ।কিভাবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদন করবেন ।কোন কোন ডকুমেন্ট বা নথিপত্রের প্রয়োজন সেই সমস্ত কিছু জানার জন্য এবং অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে কত টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে ।কত বছর বয়সী মহিলার এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে থাকেন ।এ ছাড়া অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প সম্পর্কে যে কোন প্রকার তথ্য জানার জন্য এই ওয়েবসাইটটিতে নজর রাখুন এবং বিজেপি সরকারের যে কোন প্রকার ভাতা প্রকল্প সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানার জন্য এই ওয়েবসাইটটিতে নজর রাখতে ভুলবেন না।
ধন্যবাদ