পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি যোজনা

২০২৬ সালের নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নতুন যোজনা

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি যোজনা

২০২৬ সালের নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নতুন যোজনা

Uncategorized

লক্ষী ভান্ডার একাউন্টে কি ঢুকবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে ৩০০০ টাকা? কবে থেকে ফর্ম ফিলাপ করবেন? কি কি ডকুমেন্ট লাগবে?

আপনাদের সকলকে স্বাগত জানাই এই ওয়েবসাইটটিতে ।আমরা সকলেই জানি ৪ ঠা মে রাজ্যে পালা বদল ঘটেছে এবং রাজ্য ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি সরকারের। রাজ্য ক্ষমতায় আসার আগেই বিজেপি সরকার বিভিন্ন প্রচারে জানিয়েছিলেন যে যদি রাজ্য বিজেপি সরকারের ক্ষমতায় আসে তাহলে তারা বিভিন্ন প্রকার ভাতা প্রদান করবেন সাধারণ জনগণের সহায়তা করার জন্য সেই সমস্ত জনকল্যাণমূলক ভাতার মধ্যে এক উল্লেখযোগ্য ভাতা হলো এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প যা সারা পশ্চিম বাংলার রাজনীতিতে এক আলোড়ন তৈরি করেছে এখন সমস্ত মহিলা মহলে একটাই প্রশ্ন উঠেছে। তাহলে কি লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যাবে লক্ষী ভান্ডার একাউন্টে কি ঢুকবে এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে তিন হাজার টাকা সত্যিই কি বিজেপি সরকার এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পটি চালু করবেন বা চালু করলে কোন কোন নথিপত্রের প্রয়োজন হবে সেই সমস্ত বিষয়ে এর নীচে আলোচনা করা হলো।

এখনো বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে সঠিকভাবে জানানো হয়নি যে অন্য পণ্য ভান্ডারের টাকা কোথায় পাবেন। ওই লক্ষী ভান্ডারের টাকায় কি বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হবে নাকি আবার নতুন করে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্ম ফিলাপ করা হবে সেই সম্বন্ধে এখনো কিছু জানানো হয়নি। যেহেতু বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে এবং লক্ষী ভান্ডার ছিল তৃণমূল সরকার একটি প্রকল্প তাই অনুমান করা হয়েছে যে হয়তো লক্ষ্মী ভান্ডার প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়া হবে এবং চালু করা হবেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পটি যার দ্বারা মা-বোনেরা প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে পাবেন।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে তিন হাজার টাকা কোথায় পাবেন:

পশ্চিমবাংলার রাজনীতিতে এক নতুন ঝড়ের সৃষ্টি হয়েছে এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পকে কেন্দ্র করে ।লাখ লাখ মহিলার মুখে এখন কেবলমাত্র একটাই কথা যে লক্ষী ভান্ডার একাউন্টে কি ঢুকবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে তিন হাজার টাকা । বিজেপি সরকার কি সত্যিই দেবে তিন হাজার টাকা প্রতি মাসে। এই সমস্ত বিষয়ে সারা দেশজুড়ে গ্রাম থেকে শহর সমস্ত জায়গায় জায়গায় এই একটা বিষয়েই আলোচনা যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের তিন হাজার টাকা কবে থেকে দেবেন কিভাবে দেবেন বিজেপি সরকার। বিজেপি সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় আসার আগেই বিভিন্ন প্রচারে এই অন্নপূর্ণা ভান্ডারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং রাজ্য যখন তাদের ক্ষমতায় এসেছে তখনও তারা জানাচ্ছেন যে সমস্ত মহিলাদেরকে এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের তিন হাজার টাকা প্রতি মাসে দেয়া হবে এবং আশা করা যাচ্ছে যে মে- জুন মাস থেকেই এই প্রকল্প চালু করা হবে কারণ এখনো সরকারি পদে সমস্ত কর্মচারী নিয়োগ করা হয়নি সমস্ত কর্মচারী নিয়োগের পরেই এই কাজ শুরু হয়ে যাবে এমনটাই জানিয়েছেন বিজেপি সরকার । তবে যতক্ষণ না পর্যন্ত সরকারি তরফ থেকে কোন সঠিক তথ্য বা অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের কোন সরকারি পোর্টাল বা ফর্ম প্রদান করা হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আপনারা সোশ্যাল মিডিয়ায় যে সমস্ত ফর্ম দেখা যাচ্ছে সেগুলো ফিলাপ করবেন না এবং নিজেদের কোন ডকুমেন্ট সোশ্যাল মিডিয়া আপডেট করবেন না কারণ এখনো পর্যন্ত বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে কোন সরকারি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের পোর্টাল চালু করা হয়নি বা কোন কর্ম বিলি করা হয়নি সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে তাই আপনারা নিজস্ব ডকুমেন্ট অনলাইনে আপলোড করলে যে কোন প্রকার সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। তাই কোনো তথ্য অনলাইনে আপলোড করার আগে অবশ্যই দেখে নেবেন যে এই অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের ফর্ম বা কোন পোর্টাল সরকারি তরফ থেকে দেয়া হয়েছে কিনা।

কবে থেকে ফর্ম ফিলাপ করবেন:

এখনো কোনো সঠিক সময় ঘোষণা করা হয়নি তাই অনুমান করা হচ্ছে যে হয়তো বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে সমস্ত পদে সরকারি কর্মচারী নিয়োগের পরেই এই অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে এবং মে- জুন মাস নাগাদ এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের কাজ শুরু হয়ে যাবে এবং যোগ্য মা-বোনেদের প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা করা হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে যাতে তারা স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে। তবে এখনো বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে কোন সঠিক সময় নির্ধারণ করা হয়নি ও কোন ফর্ম বা সরকারি পোর্টাল এই অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের দেয়া হয়নি তবে খুব তাড়াতাড়ি এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পটি চালু হতে চলেছে বলে জানানো হয়েছে।

কারা পাবেন অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের এই সুবিধা:

এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে সারা দেশজুড়ে এক আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছে মুসলিম মা-বোনেদের মনে প্রশ্ন তারা কি পাবে এই প্রকল্পের সুবিধা ।বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে শুধু হিন্দু না মুসলিম ধর্মের মা বোনেরাই নয় অন্য যেকোনো ধর্মের যোগ্য মা বোনেরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন অবশ্যই তারা যদি পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে থাকে তবেই । তানাহলে এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত তারা হবে না ।

অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র বা ডকুমেন্ট:

যেহেতু এটি একটি সামাজিক প্রকল্প। লক্ষ্মী ভান্ডার প্রকল্পের ন্যায় তাই অনুমান করা হচ্ছে যে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প যে নথিপত্রের প্রয়োজন হয়েছিল এই অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পেও সে রকমই নথিপত্রের প্রয়োজন হবে সেই সমস্ত নথিপত্র বা ডকুমেন্ট এর কথা নিচে আলোচনা করা হলো।

১. আধার কার্ড:

আবেদনকারীর পরিচয়ের প্রথম এবং প্রধান হলো এই আধার কার্ড যা একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র যা ছাড়া অন্য যে কোন প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করা সম্ভব না।

২. ভোটার কার্ড:

আবেদনকারী যে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা তার প্রমাণ হলো এই ভোটর কার্ড যা একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র।

৩. ব্যাংক একাউন্ট:

আবেদনকারীর অবশ্যই একটি নিজস্ব ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে যাতে ওই অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের তিন হাজার টাকা প্রতি মাসে আসতে পারে এবং ওই ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে আধার লিঙ্ক থাকতে হবে।

৪. পাসপোর্ট সাইজ ফটো :

আবেদনকারী নিজস্ব পাসপোর্ট সাইজ ফটো প্রয়োজন

৫. ইনকাম সার্টিফিকেট:

আবেদনকারীর পারিবারিক আয় অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হবে।

৬. বাসস্থান:

আবেদনকারীকে অবশ্যই এই অঞ্চলের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং মহিলা হতে হবে।

৭. রেশন কার্ড:

অনুমান করা হচ্ছে যে হয়তো রেশন কার্ডের প্রয়োজন হতে পারে।

২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী মহিলা বাসিন্দা প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প থেকে পাবে।

৮. জাতিগত শংসাপত্র:

লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পে যেরকম তফসিলি জাতি বা উপজাতির মা-বোনেরা একটা অতিরিক্ত সুবিধা পেতেন মানে টাকার পরিমান কিছুটা বেশি পেতেন ঠিক তেমনি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পেও কি ওই তফসিলি জাতি বা উপজাতির মা-বোনেরা বেশি টাকা পাবেন নাকি একই টাকা পাবেন তারা কি কোন সুবিধা পাবেন সেই সম্পর্কে বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ঘোষণা করা হয়নি। যদি ঘোষণা করা হয় যে তারা একটা অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন তাহলে জাতিগত শংসাপত্র এর প্রয়োজন হবে

৯. ফোন নাম্বার :

অবশ্যই সেই ফোন নাম্বারটি দেবেন। যার সাথে আপনার আধার নাম্বার লিঙ্ক করা আছে এবং ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ আছে যাতে আপনি ফোনে কোন মেসেজ কিংবা নোটিফিকেশান এলে তৎক্ষণাৎ আপনি দেখতে পান এবং আপনার ব্যাংকে টাকা ঢুকেছে কিনা প্রতি মাসে সেই মেসেজটি আপনি দেখতে পান কোন কোন নথিপত্র জেরক্স এর প্রয়োজন হতে পারে।

কোন কোন নথিপত্রের জেরক্স প্রয়োজন হতে পারে:

১. আধার কার্ড।

২. ভোটার কার্ড।

৩. ব্যাংক একাউন্টের প্রথম পাতার জেরক্স।

৪. রেশন কার্ড।

৫. আবেদনকারীর মাসিক বা বাৎসরিক আয়ের প্রমাণপত্র।( যদি লাগে)।

আবেদন পদ্ধতি:

আপনি এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পটি অনলাইন বা অফলাইন দুটি ভাবেই আবেদন করতে পারেন তাই এই দুটি ভাবে আবেদন করার পদ্ধতি নীচে বর্ণনা করা হলো।

১. অনলাইন আবেদন পদ্ধতি:

প্রথমে আপনি এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পটির ফর্ম ফিলাপ করার জন্য যে যে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প এর তরফ থেকে সরকারি পোর্টাল দেয়া হয়েছে সেই পোর্টালে যান এবং পোর্টালে গিয়ে আপনার ফোন নাম্বার দিয়ে সেটি রেজিস্ট্রেশন করুন তারপর ফর্মটি ফিলাপ করুন এবং যে সমস্ত নথিপত্র বা ডকুমেন্ট আপলোডের কথা বলা হয়েছে সেই সমস্ত ডকুমেন্টগুলো আপলোড করুন এই সমস্ত কিছু হয়ে গেলে তারপর আপনি সাবমিট করুন তাহলেই আপনার অনলাইন আবেদন পদ্ধতি সম্পূর্ণ হবে।

২. অফলাইন আবেদন পদ্ধতি:

আপনি অনলাইনের মাধ্যমে না করেও অফলাইনের মাধ্যমে এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পটি ফর্ম ফিলাপ করতে পারেন যার জন্য আপনাকে যে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বসে বা পৌরসভা অফিস বা ব্লক অফিস থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্মটি সংগ্রহ করতে হবে।তারপর আপনি ফার্মটি ফিলাপ করুন এবং ওই ফর্ম এর জন্য যে সমস্ত নথিপত্রের জেরক্স প্রয়োজন বলা হয়েছে সেই সমস্ত জেরক্স গুলো অবশ্যই ফর্ম এর সাথে জমা করুন তাহলেই আপনার এই অফলাইন আবেদন পদ্ধতিটি সম্পন্ন হইবে।

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে এই অন্নপূর্ণার ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে এক আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছে দেখা গিয়েছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে ফর্ম । যদিও সরকারি তরফ থেকে এখনো পর্যন্ত কোন ফর্ম বা অনলাইন পোর্টাল চালু করা হয়নি। যার দ্বারা আপনারা এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্মটি ফিলাপ করতে পারেন তাই অন্নপূর্ণা ভান্ডারের কোন ফর্ম ফিলাপ করার আগে এবং কোন নথিপত্র আপলোড করার আগে আপনারা অবশ্যই জেনে নেবেন যে বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্ম ফিলাপ চালু হয়েছে কিনা । কারণ এখনো পর্যন্ত সরকারি তরফ থেকে কোন সরকারি পোর্টাল বা কোন ফর্ম বিলি করা হয়নি। অনলাইনে আপনার নথি আপলোড করার ফলে আপনি যে কোন প্রকার সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন ।

                                 

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পটি কি চালু করা হবে?

হ্যাঁ । বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পটি চালু করা হবে যেহেতু রাজ্য বিজেপি সরকারের ক্ষমতায় এসেছে তাই খুব শীঘ্রই এই প্রকল্প চালু হয়ে যাবে।

কোন ধর্মের মহিলারা এই অন্নপূর্ণা প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হবেন?

যেকোনো ধর্মের মহিলা এই প্রকল্পে সুবিধা পাবেন যদি তারা পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হন।

অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পে কত টাকা করে দেয়া হবে?

বিজেপি সরকার জানিয়েছেন লক্ষী ভান্ডারের দ্বিগুণ অর্থাৎ তিন হাজার টাকা প্রতি মাসে দেয়া হবে।

এই অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প চালুর কারণ কি?

এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার মহিলাদেরকে আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে তাদের স্বাবলম্বী করে তোলার চেষ্টা করছেন।

এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা কারা পাবেন মহিলা না পুরুষ

মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন অবশ্যই যদি তারা পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হন।

শেষ কথা:

এই বিজেপি সরকারের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প সম্পর্কে আরো নিখুঁতভাবে জানার জন্য এবং কবে থেকে ফর্ম ফিলাপ শুরু হবে কিভাবে আপনি ফর্ম ফিলাপ করবেন কোথায় আপনি ফর্ম ফিলাপ করবেন কারা এই প্রকল্পের আয়তাভুক্ত হবে বা কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বা কোন বয়স থেকে আপনি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বা অন্য কোনো প্রকল্পের সুবিধা পেলে আপনি এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন কিনা বা অন্য কোন ধর্মের মহিলা হলে প্রকল্পের সুবিধা পাবেন কিনা সেই সমস্ত বিষয় নিখুঁতভাবে জানার জন্য আপনারাই ওয়েবসাইটটিতে নজর রাখুন এখানে আপনাদেরকে সমস্ত বিষয়ে নিখুঁতভাবে জানানো হবে এবং কোন ভাতার জন্য কোন কি কি নথিপত্রের প্রয়োজন কিভাবে করবেন এবং সেই ভাতা সম্পর্কে বিশদে জানার জন্য নজর রাখুন ।

ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *